ল্যাব এইড হাসপাতাল ধানমন্ডি ঢাকা ডাক্তার লিস্ট। ২১টি তথ্য
ল্যাব এইড হাসপাতাল ধানমন্ডি ঢাকা ডাক্তার লিস্ট খুঁজছেন? তাহলে জেনে রাখুন, ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল ধানমন্ডি ঢাকার একটি পরিচিত মাল্টিসপেশালিটি হাসপাতাল। এখানে কার্ডিওলজি, মেডিসিন, গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি, নিউরোলজি, নিউরোসার্জারি, গাইনি, সার্জারি, শিশু রোগ, চর্মরোগ, চক্ষু, লিভার ও বক্ষব্যাধিসহ বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রোগী দেখেন।
এই তালিকায় ২১ জন চিকিৎসকের নাম, বিশেষত্ব, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং সিরিয়াল নেওয়ার তথ্য দেওয়া হয়েছে। তবে চেম্বারের দিন বা সময় পরিবর্তিত হতে পারে। তাই যাওয়ার আগে ০১৭৪০-৪৮৬১২৩ নম্বরে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে ফোন করে নিশ্চিত করুন। শুক্রবার এই সিরিয়াল নম্বরে সেবা বন্ধ থাকে।
ল্যাব এইড হাসপাতাল ধানমন্ডি ঢাকা ডাক্তার লিস্টে কারা আছেন?
ল্যাব এইড হাসপাতাল ধানমন্ডি ঢাকা ডাক্তার লিস্টে হৃদরোগ থেকে শিশু সার্জারি পর্যন্ত বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক রয়েছেন। নিচের তথ্যগুলো সরবরাহ করা ডাক্তার প্রোফাইলের ভিত্তিতে সাজানো হয়েছে। তাই চিকিৎসকের বর্তমান চেম্বার, ফি ও রোগী দেখার দিন হাসপাতালের সিরিয়াল বিভাগ থেকে জেনে নিন।

কার্ডিওলজি, মেডিসিন ও রিউমাটোলজি বিশেষজ্ঞ
- অধ্যাপক ডাঃ রাজিয়া সুলতানা মাহমুদ — হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও রিউমাটোলজিস্ট। তিনি এমবিবিএস, ডি কার্ড, এফএসিসি সম্পন্ন করেছেন। এছাড়াও কার্ডিওলজি প্রশিক্ষণ জাপানে এবং ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিতে ডব্লিউএইচও ফেলোশিপ রয়েছে।
- অধ্যাপক ডাঃ রুবিনা ইয়াসমিন — মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। তাঁর যোগ্যতার মধ্যে এফসিপিএস, এফএসিপি ও এফআরসিপি রয়েছে। তাছাড়া তিনি স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- অধ্যাপক ডাঃ মোঃ সাইফুল্লাহ — জেনারেল, ল্যাপারোস্কোপিক, কোলোরেক্টাল ও ক্যান্সার সার্জন। তিনি এমবিবিএস ও এফসিপিএস সার্জারি সম্পন্ন করেছেন।
বুকে ব্যথা, দীর্ঘদিনের জয়েন্টের সমস্যা, অস্বাভাবিক দুর্বলতা বা জটিল পেটের সমস্যায় রোগীরা সংশ্লিষ্ট বিভাগের চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন। তবে জরুরি বুকে ব্যথা বা শ্বাসকষ্ট হলে বহির্বিভাগের সিরিয়ালের অপেক্ষা না করে জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করা উচিত।
আরও জেনে নিনঃ পার্কভিউ হাসপাতাল চট্টগ্রাম ডাক্তার লিস্ট
গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি, লিভার ও মেডিসিন
- অধ্যাপক ডাঃ স্বপন চন্দ্র ধর — গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। তাঁর এমবিবিএস, এফসিপিএস, এমডি, এমএসিজি ও এফআরসিপি যোগ্যতা রয়েছে।
- অধ্যাপক ডাঃ মিয়া মাশহুদ আহমেদ — গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। তিনি এমবিবিএস, এমডি, পিএইচডি ও এফআরসিপি সম্পন্ন করেছেন।
- অধ্যাপক ডাঃ সেলিমুর রহমান — মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ও হেপাটোলজিস্ট। লিভার রোগ ও এন্ডোস্কোপিতে তাঁর ফেলোশিপ প্রশিক্ষণ রয়েছে।
- অধ্যাপক ডাঃ ফারুক আহমেদ — হেপাটোলজিস্ট ও লিভার বিশেষজ্ঞ। তিনি এমবিবিএস, এমডি হেপাটোলজি ও এফআরসিপি সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের লিভার বিভাগের প্রাক্তন প্রধান হিসেবে তাঁর পরিচয় দেওয়া হয়েছে।
জন্ডিস, দীর্ঘস্থায়ী অম্বল, পেট ফাঁপা, লিভার এনজাইম বেড়ে যাওয়া বা হেপাটাইটিস-সংক্রান্ত সমস্যায় গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি কিংবা হেপাটোলজি বিভাগের চিকিৎসক উপযুক্ত হতে পারেন। যেমন, আগের লিভার রিপোর্ট সঙ্গে নিলে চিকিৎসক রোগের ইতিহাস দ্রুত বুঝতে পারেন।
নিউরোসার্জারি ও নিউরো মেডিসিন
- অধ্যাপক ডাঃ বি করিম — নিউরোসার্জন। তিনি মস্তিষ্ক, মেরুদণ্ড, মাথার আঘাত, স্ট্রোক, মাইক্রোসার্জারি ও এন্ডোস্কোপিক সার্জারি নিয়ে কাজ করেন। তাঁর বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নম্বর এ-২২৪২৪।
- অধ্যাপক ডাঃ হারাধন দেব নাথ — নিউরো ও স্পাইনাল সার্জন। মাথাব্যথা, ঘাড়ের ব্যথা, মেরুদণ্ডের ব্যথা, ব্রেন টিউমার ও স্ট্রোক-পরবর্তী পক্ষাঘাত তাঁর বিশেষজ্ঞতার অংশ।
- অধ্যাপক ডাঃ এম. এ. হান্নান — নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। তিনি এমবিবিএস, এফসিপিএস, এমডি নিউরোলজি ও এফআরসিপি সম্পন্ন করেছেন।
- অধ্যাপক ডাঃ সিরাজুল হক — নিউরো মেডিসিন ও ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। তাঁর যোগ্যতার মধ্যে এফসিপিএস, এফএসিপি ও এফআরসিপি রয়েছে।
খিঁচুনি, হাত-পায়ে দুর্বলতা, দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথা বা মেরুদণ্ডের সমস্যায় নিউরোলজি ও নিউরোসার্জারি এক বিষয় নয়। সাধারণত ওষুধভিত্তিক মূল্যায়নের জন্য নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া হয়। অন্যদিকে অস্ত্রোপচারের সম্ভাবনা থাকলে নিউরোসার্জনের মতামত লাগতে পারে।
চর্মরোগ ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ
- অধ্যাপক লে. কর্নেল (অব.) ডা. মো. আব্দুল ওহাব — চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি চর্মরোগ, অ্যালার্জি, লিঙ্গরোগ ও কুষ্ঠরোগ চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত।
- অধ্যাপক ডাঃ গোলাম মুস্তাফা — চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও ছানি সার্জন। তাঁর বিশেষত্বের মধ্যে ফ্যাকো সার্জারি রয়েছে। এছাড়া তিনি জাতীয় চক্ষুবিদ্যা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের প্রাক্তন পরিচালক ও অধ্যাপক।
ত্বকে দীর্ঘস্থায়ী চুলকানি, অ্যালার্জি বা অস্বাভাবিক দাগ হলে নিজে থেকে স্টেরয়েড ক্রিম ব্যবহার না করে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া নিরাপদ। একইভাবে চোখের ঝাপসা দেখা বা ছানির ক্ষেত্রে দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা ও চোখের পূর্ণ মূল্যায়ন প্রয়োজন হতে পারে।
শিশু রোগ ও শিশু সার্জারি
- অধ্যাপক ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমান — শিশু বিশেষজ্ঞ। তিনি নবজাতক, শিশু ও কিশোরদের চিকিৎসা করেন। তাঁর প্রোফাইলে ০ থেকে ১৮ বছর বয়সী রোগীর কথা উল্লেখ রয়েছে।
- অধ্যাপক ডাঃ মির্জা কামরুল জাহিদ — পেডিয়াট্রিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ। তিনি এমবিবিএস, এমএস পেডিয়াট্রিক সার্জারি এবং এফআরসিএস সম্পন্ন করেছেন।
শিশুর বয়স, ওজন, আগের প্রেসক্রিপশন ও টিকার তথ্য সঙ্গে রাখলে চিকিৎসকের মূল্যায়ন সহজ হয়। বিশেষ করে নবজাতকের শ্বাসকষ্ট, খাওয়ায় অক্ষমতা বা অস্বাভাবিক নিস্তেজতার মতো লক্ষণ থাকলে সাধারণ অ্যাপয়েন্টমেন্টের বদলে দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা নিন।
বক্ষব্যাধি, সার্জারি ও অনকোলজি
- অধ্যাপক ডাঃ মোঃ সাইদুল ইসলাম — বক্ষব্যাধি, মেডিসিন ও হাঁপানি বিশেষজ্ঞ। তাঁর যোগ্যতার মধ্যে ডিটিসিডি, এমডি বক্ষব্যাধি ও এফআরসিপি রয়েছে।
- অধ্যাপক কর্নেল ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন মাহমুদ — অনকোলজিস্ট এবং ব্রেস্ট ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন। তিনি টিউমার, ক্যান্সার, অনকোপ্লাস্টিক ব্রেস্ট সার্জারি, জেনারেল ও কোলোরেক্টাল সার্জারিতে কাজ করেন।
- অধ্যাপক ডাঃ মোঃ শামসুল আলম — কার্ডিয়াক ভাস্কুলার ও থোরাসিক সার্জন। তাঁর বিশেষজ্ঞতার মধ্যে থোরাসিক, কার্ডিওভাসকুলার, ভাস্কুলার ও খাদ্যনালী সার্জারি রয়েছে।
হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের রোগী পুরোনো এক্স-রে, স্পাইরোমেট্রি রিপোর্ট ও চলমান ওষুধের তালিকা সঙ্গে রাখুন। একইভাবে স্তনে গাঁট বা অস্বাভাবিক পরিবর্তন থাকলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। তবে ক্যান্সার সন্দেহ মানেই ক্যান্সার নিশ্চিত নয়। পরীক্ষার ফল ও বিশেষজ্ঞ মূল্যায়নের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত হয়।
গাইনি ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ
- অধ্যাপক মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) ডাঃ লায়লা আরজমান্দ বানু — প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি এমবিবিএস, ডিজিও, এফসিপিএস ও এফআইসিএস সম্পন্ন করেছেন।
- অধ্যাপক ডাঃ আফজালুন্নেসা চৌধুরী — স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন। উন্নত কলপোস্কোপি ও ল্যাপারোস্কোপিতে তাঁর প্রশিক্ষণ রয়েছে। তাঁর বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নম্বর এ-১৩৯৫২।
- অধ্যাপক ডাঃ মরিয়ম ফারুকী (স্বাতী) — প্রসূতি, স্ত্রীরোগ ও বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ। বন্ধ্যাত্ব ও টেস্ট টিউব বেবি পদ্ধতিতে কোরিয়া ও ভারতে উচ্চতর প্রশিক্ষণের কথা প্রোফাইলে উল্লেখ আছে।
গর্ভাবস্থার রিপোর্ট, আল্ট্রাসনোগ্রাম, মাসিকের তারিখ ও পূর্বের চিকিৎসার কাগজ সঙ্গে রাখলে গাইনি অ্যাপয়েন্টমেন্টে সুবিধা হয়। পাশাপাশি বন্ধ্যাত্বের মূল্যায়নে সাধারণত দম্পতির উভয়ের স্বাস্থ্য-ইতিহাস বিবেচনা করা হয়।
ল্যাবএইড ধানমন্ডির ঠিকানা ও সিরিয়াল নেওয়ার নিয়ম কী?
ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতালের ঠিকানা হলো House-06, Road-04, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫। ধানমন্ডির ভেতর থেকে গাড়িতে যাওয়া তুলনামূলক সহজ হলেও ঢাকার যানজটের কারণে হাতে অতিরিক্ত সময় রাখা ভালো। তাই নির্ধারিত সময়ের কিছু আগে রওনা হওয়া সুবিধাজনক।
সিরিয়ালের জন্য দেওয়া নম্বর হলো ০১৭৪০-৪৮৬১২৩। কলের সময় সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং শুক্রবার বাদে। তবে অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট চালু আছে কি না তা হাসপাতালের অফিসিয়াল মাধ্যম থেকে যাচাই করুন। সরাসরি রিসেপশন থেকেও অ্যাপয়েন্টমেন্টের নিয়ম জানা যেতে পারে।
- প্রথমে রোগীর নাম, বয়স ও সমস্যার সংক্ষিপ্ত বিবরণ প্রস্তুত রাখুন।
- এরপর পছন্দের চিকিৎসকের নাম ও বিভাগের সিরিয়াল চাইতে পারেন।
- চেম্বারের দিন, সময়, পরামর্শ ফি ও রিপোর্ট দেখানোর নিয়ম জেনে নিন।
- সিরিয়াল নম্বর বা কনফার্মেশন বার্তা সংরক্ষণ করুন।
- সবশেষে যাত্রার আগে আবার ফোন করে সময় অপরিবর্তিত আছে কি না নিশ্চিত করুন।
কোন সমস্যায় কোন বিভাগের ডাক্তার বেছে নেবেন?
ডাক্তার বাছাইয়ের সবচেয়ে ব্যবহারিক পদ্ধতি হলো প্রধান সমস্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভাগ মিলিয়ে দেখা। তবে একই রোগীর একাধিক সমস্যা থাকলে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ প্রাথমিক মূল্যায়ন করে প্রয়োজনে অন্য বিভাগে পাঠাতে পারেন।
| প্রধান সমস্যা | প্রাসঙ্গিক বিভাগ | সঙ্গে নেওয়া ভালো |
|---|---|---|
| বুকে ব্যথা বা হৃদস্পন্দনের সমস্যা | কার্ডিওলজি | ইসিজি, ইকো ও আগের প্রেসক্রিপশন |
| পেটের সমস্যা বা জন্ডিস | গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি বা হেপাটোলজি | লিভার রিপোর্ট ও আল্ট্রাসনোগ্রাম |
| খিঁচুনি বা হাত-পায়ে দুর্বলতা | নিউরো মেডিসিন | আগের স্ক্যান ও ওষুধের তালিকা |
| মেরুদণ্ড বা ব্রেন টিউমারের সমস্যা | নিউরোসার্জারি | এমআরআই বা সিটি স্ক্যান |
| গর্ভাবস্থা বা মাসিকের জটিলতা | গাইনি ও প্রসূতি | আল্ট্রাসনোগ্রাম ও পূর্বের রিপোর্ট |
| শিশুর সাধারণ অসুস্থতা | শিশু রোগ | টিকা কার্ড ও আগের প্রেসক্রিপশন |
রোগের লক্ষণ গুরুতর হলে অনলাইনে তালিকা দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে দ্রুত হাসপাতালের জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন। এছাড়াও চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ব্যবহার করা যেতে পারে।
সিরিয়াল নেওয়ার সময় কোন ভুলগুলো এড়াবেন?
- শুধু নাম দেখে চিকিৎসক নির্বাচন করবেন না। বরং সমস্যার সঙ্গে বিশেষত্ব মিলিয়ে নিন।
- চেম্বার সময় না জেনে দূর থেকে রওনা দেবেন না।
- রিপোর্টের মূল কপি না নিয়ে শুধু মোবাইলের অস্পষ্ট ছবি দেখাবেন না।
- জরুরি লক্ষণ থাকলে সাধারণ বহির্বিভাগের অ্যাপয়েন্টমেন্টের ওপর নির্ভর করবেন না।
- চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া পুরোনো ওষুধের ডোজ পরিবর্তন করবেন না।
ধরা যাক একজন রোগীর ডায়াবেটিসের সঙ্গে কিডনি বা হৃদরোগ রয়েছে। সেক্ষেত্রে একাধিক বিভাগের সমন্বিত চিকিৎসা দরকার হতে পারে। তাই আগের সব প্রেসক্রিপশন এক ফাইলে রাখুন। এতে একই ওষুধের পুনরাবৃত্তি বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাদ পড়ার ঝুঁকি কমে।
ল্যাবএইড হাসপাতাল ধানমন্ডি সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন
ল্যাবএইড হাসপাতাল ধানমন্ডি কোথায় অবস্থিত?
ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল ধানমন্ডির House-06, Road-04, ঢাকা-১২০৫ ঠিকানায় অবস্থিত। তবে যাওয়ার আগে ঠিকানা ও চিকিৎসকের উপস্থিতি ফোনে নিশ্চিত করুন।
ল্যাবএইড ধানমন্ডির সিরিয়াল নম্বর কী?
সরবরাহ করা তথ্য অনুযায়ী সিরিয়ালের নম্বর ০১৭৪০-৪৮৬১২৩। কলের সময় সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা। তবে শুক্রবার এই সময়সূচি প্রযোজ্য নয়।
ফোনে কখন সিরিয়াল নেওয়া যায়?
সিরিয়াল নেওয়ার জন্য সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে কল করার কথা বলা হয়েছে। ব্যস্ত সময়ে সংযোগ না পেলে কিছুক্ষণ পর আবার চেষ্টা করুন।
অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া যায় কি?
হাসপাতালের ওয়েবসাইটে অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থা চালু থাকলে সেখানে আবেদন করা যেতে পারে। তবে ব্যবস্থা সক্রিয় আছে কি না তা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা হাসপাতালের রিসেপশন থেকে যাচাই করুন।
ল্যাবএইড ধানমন্ডিতে কি সব রোগের চিকিৎসা পাওয়া যায়?
ল্যাবএইড ধানমন্ডিতে কার্ডিওলজি, মেডিসিন, সার্জারি, চর্মরোগ, শিশু রোগ, নিউরোলজি, গাইনি, বক্ষব্যাধি ও লিভারসহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসা রয়েছে। তবে প্রতিটি রোগের জন্য একই হাসপাতালে সব ধরনের সেবা থাকবে এমন নিশ্চয়তা ধরে নেওয়া উচিত নয়।
চিকিৎসকের চেম্বার সময় কি সবসময় একই থাকে?
না। চিকিৎসকের চেম্বার সময়, উপস্থিতির দিন ও সিরিয়াল নীতি পরিবর্তিত হতে পারে। তাই ল্যাব এইড হাসপাতাল ধানমন্ডি ঢাকা ডাক্তার লিস্ট দেখার পরেও ফোনে সর্বশেষ তথ্য নিশ্চিত করুন।






